রোগীরা ভুলে যান
তিন সপ্তাহ আগে বুক করা স্লট কারও মনে থাকে না। চেয়ারটি খালি পড়ে থাকে, আর পেছনের সিরিয়ালও এগোয় না।
রোগীদের সময়ের আগেই মনে করিয়ে দিন, রিপোর্ট তৈরি হওয়ামাত্র জানিয়ে দিন, আর উত্তরটি একই স্ক্রিনে দিন — এসএমএস, হোয়াটসঅ্যাপ ও ইমেইলে, একটিই রোগী তালিকা থেকে।

ক্লিনিকের ডেস্ক সারাদিন যা করে তার বেশিরভাগই একই চারটি বাক্য বারবার বলা। এর কোনোটির জন্যই আলাদা মানুষ লাগে না, অথচ একটিও বাদ পড়লে একটি স্লট নষ্ট হয়।
তিন সপ্তাহ আগে বুক করা স্লট কারও মনে থাকে না। চেয়ারটি খালি পড়ে থাকে, আর পেছনের সিরিয়ালও এগোয় না।
একই ফোন, দিনে বিশবার — অথচ রিপোর্টটি সকাল থেকেই কাউন্টারে পড়ে আছে।
রিভিউ ভিজিট, আবার টেস্ট, ওষুধের রিমাইন্ডার — সবাই মানেন এগুলো জরুরি, কিন্তু ফোন করার সময় কারও নেই।
এসএমএস যায় এক নম্বরে, ছবি আসে কারও ব্যক্তিগত হোয়াটসঅ্যাপে, আর ইমেইল আসে ক্লিনিকের ঠিকানায়। তিনটি একসাথে কেউ দেখেন না।
রিমাইন্ডার কোনো ব্রডকাস্ট নয় — এটি একজন রোগীর নিজের তারিখের সাথে বাঁধা। আপনি রেকর্ডে তারিখটি বসান, কত আগে যাবে তা বলে দেন, বাকিটা শিডিউল নিজেই করে।
অ্যাপয়েন্টমেন্টের তারিখ, টেস্টের তারিখ, রিভিউর তারিখ — প্রত্যেক রোগীর নিজের তারিখগুলো তাঁর কন্টাক্ট রেকর্ডে ফিল্ড হিসেবে থাকে। স্প্রেডশিট থেকে ইমপোর্ট করুন, হাতে টাইপ করুন, অথবা আপনার প্র্যাকটিস সফটওয়্যার এপিআই দিয়ে লিখে দিক।
তারিখভিত্তিক একটি ট্রিগার বেছে নিন এবং বলুন সেই তারিখের কত দিন আগে বা পরে জার্নি শুরু হবে। ভিজিটের একদিন আগে, টেস্টের সাত দিন পরে, ওষুধ আবার লেখানোর ত্রিশ দিন আগে — প্রতিবারই একই পদ্ধতি।
পাঠানোর ধাপ যোগ করুন: এসএমএস, হোয়াটসঅ্যাপ বা ইমেইল — সেভ করা টেমপ্লেট থেকে, রোগীর নাম আর সময় বসানো অবস্থায়। দ্বিতীয়বার মনে করিয়ে দিতে ধাপের মাঝে একটি অপেক্ষা রাখুন, আর “যদি এখনো নিশ্চিত না করে থাকেন” — এর জন্য একটি শর্তের শাখা।
শিডিউল প্রতি মিনিটে যাচাই করে এবং যাঁদের সময় হয়েছে তাঁদের জার্নি শুরু করে। একজন রোগী একটি নির্দিষ্ট রিমাইন্ডারে দিনে একবারই ঢোকেন, তাই আপনার তালিকায় একই সারি দুবার থাকলেও মেসেজ দুবার যায় না।

ট্রিগার, অপেক্ষা, পাঠানো, শাখা। নিচের ক্যানভাসটি ডেমো ওয়ার্কস্পেসের একটি কার্ট-রিকভারি জার্নি, তবে অ্যাপয়েন্টমেন্ট রিমাইন্ডারও ঠিক একই ব্লক দিয়ে তৈরি — এটাই মূল কথা। একবার শিখে নিলে ক্লিনিকের বাকি প্রতিটি রিমাইন্ডার বানাতে বিশ মিনিটের কাজ।

যে চ্যানেলেই আসুক, প্রতিটি ইনবাউন্ড মেসেজ — এসএমএস, হোয়াটসঅ্যাপ বা ইমেইল — একটিই তালিকায় কথোপকথন হিসেবে জমা হয়। ডেস্ককে তিনটি ফোন নয়, শুধু এই তালিকাটি নিয়ে কাজ করতে হয়, আর প্রতিটি থ্রেড সংশ্লিষ্ট রোগীর রেকর্ডের সাথেই থাকে।
তিনটি চ্যানেল একে অন্যের বিকল্প নয়। রোগী যে মেসেজের অপেক্ষায় থাকেন, সেখানেই পার্থক্যটা সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ। কোনটি আসলে কী করে, দেখে নিন।
| SMS | |||
|---|---|---|---|
| সাধারণ হ্যান্ডসেটের রোগীর কাছেও পৌঁছায় | No | Yes | No |
| আগে কথা না হলেও কথোপকথন শুরু করতে পারে | শুধু অনুমোদিত টেমপ্লেট | Yes | Yes |
| রোগী চেনেন এমন প্রেরক | আপনার ব্যবসার নম্বর | Masking SMS-এ ব্র্যান্ডেড সেন্ডার নাম | আপনার নিজের ডোমেইন |
| বিস্তারিত ও অ্যাটাচমেন্টের জায়গা আছে | সংক্ষিপ্ত, সঙ্গে বাটন | এক-দুই লাইন | Yes |
| উত্তর আসে শেয়ার্ড ইনবক্সে | Yes | Yes | Yes |
| রাতে আটকে রাখা হয় | রাত ৯টা থেকে সকাল ৮টা | রাত ৯টা থেকে সকাল ৮টা | যেকোনো সময় পাঠানো যায় |
QuickGrow একটি মেসেজিং সিস্টেম, মেডিকেল রেকর্ড সিস্টেম নয়, এবং এর কোনো ধরনের স্বাস্থ্য-সংক্রান্ত সার্টিফিকেশন নেই। একে সেই স্তর হিসেবেই ব্যবহার করুন যেটি রোগীকে আসতে বলে — ক্লিনিক্যাল তথ্য রাখার জায়গা হিসেবে কখনো নয়।
একবার তৈরি হয়ে গেলে এর কোনোটিতেই আর মানুষ লাগে না। ডেস্ক প্রতিদিন যা বারবার করে, তার বেশিরভাগই এই কয়েকটির মধ্যে পড়ে।
রেকর্ডে থাকা অ্যাপয়েন্টমেন্টের তারিখ ধরে একটি আগের দিন আর একটি সেদিন সকালে। শর্তের একটি শাখা যিনি আগেই নিশ্চিত করেছেন তাঁকে বাদ দিয়ে দেয়।
রিপোর্ট অনুমোদিত হলে আপনার ল্যাব সিস্টেম এপিআই কল করে, আর সেই মিনিটেই অ্যালার্ট চলে যায় — একটি হোয়াটসঅ্যাপ টেমপ্লেট, অথবা যাঁর হোয়াটসঅ্যাপ নেই তাঁর জন্য এসএমএস।
ভিজিটের সাত দিন পরে একবার খোঁজ নেওয়া। আবার টেস্টের তারিখের ত্রিশ দিন আগে সেটি বুক করার একটি তাগাদা।
রুল বিল্ডার দিয়ে একটি সেগমেন্ট তৈরি করুন — যেমন স্ক্রিনিংয়ের জন্য ট্যাগ করা রোগী, যাঁরা বারো মাসে আসেননি — আর রিকল মেসেজ কেবল তাঁদেরই পাঠান।
তিনটি চ্যানেলের সব ইনবাউন্ড মেসেজের জন্য একটিই তালিকা — যিনি ডিউটিতে আছেন তাঁকে দেওয়া হয়, আর কাজ শেষ হলে সমাধান করা হয়।
অপ্ট-আউট উত্তর ধরা পড়ে এবং চিহ্নিত হয়। সম্মতি প্রত্যাহারের কাজটি একজনকে করতে হয়; এরপর থেকে প্রতিটি ক্যাম্পেইন সেই রোগীকে নিজে থেকেই বাদ দেয়।
আপনি তারিখটি রোগীর কন্টাক্ট রেকর্ডে একটি ফিল্ড হিসেবে বসান — স্প্রেডশিট থেকে ইমপোর্ট করে, হাতে টাইপ করে, অথবা নিজের সফটওয়্যার দিয়ে এপিআইয়ের মাধ্যমে লিখিয়ে। এরপর তারিখভিত্তিক একটি অটোমেশন সেই তারিখের নির্দিষ্ট কিছু দিন আগে বা পরে শুরু হয়। শিডিউল প্রতি মিনিটে যাচাই করে এবং প্রত্যেক রোগীকে দিনে সর্বোচ্চ একবার ঢোকায়, তাই একই সারি দুবার থাকলেও মেসেজ দুবার যায় না।
তিনটি চ্যানেলের যেটিতেই উত্তর আসুক, সেটি শেয়ার্ড ইনবক্সে একটি কথোপকথন হয়ে যায়। ইনবক্সে অ্যাক্সেস আছে এমন যে কেউ সেটি হাতে নিতে, সহকর্মীকে দিতে, সেভ করা কুইক রিপ্লাই দিয়ে উত্তর দিতে এবং সমাধান হিসেবে চিহ্নিত করতে পারেন। হোয়াটসঅ্যাপে একটি উত্তর ২৪ ঘণ্টার একটি সময়সীমা খুলে দেয়, যার ভেতরে আপনি নিজের মতো লিখতে পারেন; সেই সময়সীমার বাইরে কেবল অনুমোদিত টেমপ্লেটই যেতে পারে। উত্তরটি STOP বা UNSUBSCRIBE হলে সেটি চিহ্নিত হয়ে যায়, যাতে আপনার টিম ব্যবস্থা নিতে পারে — এসএমএসে এই বাদ দেওয়ার কাজটি এখনো স্বয়ংক্রিয় নয়, তবে একবার করা হলে পরের প্রতিটি ক্যাম্পেইন তাঁকে বাদ দেয়।
রোগী হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহার করলে আগে সেটিই: utility টেমপ্লেট হলো অ্যাকাউন্ট ও অর্ডার আপডেটের জন্য নির্ধারিত ক্যাটাগরি, আর তা খোলা কথোপকথন ছাড়াই পৌঁছায়। সাধারণ হ্যান্ডসেটের রোগীর জন্য এসএমএসে যান — Masking SMS সেন্ডারের ঘরে আপনার ক্লিনিকের নাম বসায়, তাই তা স্প্যামের মতো দেখায় না। যখন নথিটিই পাঠাচ্ছেন, তখন ইমেইল ব্যবহার করুন। মনে রাখবেন, এসএমএস ও হোয়াটসঅ্যাপ দুটোই রাত ৯টা থেকে সকাল ৮টা পর্যন্ত আটকে রাখা হয়, তাই গভীর রাতে সই হওয়া রিপোর্ট সকালেই প্রথমে যায়।
একটি রিমাইন্ডার তৈরি করে দেখুন, “আমার রিপোর্ট কি হয়েছে?” ছাড়া একটি সপ্তাহ কেমন হয়। আপনি একটি প্ল্যাটফর্ম ফি দেন, সাথে যে চ্যানেলে আসলে পাঠান তার খরচ — আর বেশি ভলিউম কিনলে ফির একটি অংশ মওকুফ হয়।
এক প্ল্যাটফর্ম থেকেই সব চ্যানেল চালান। নিজের SMTP, এসএমএস গেটওয়ে ও হোয়াটসঅ্যাপ নম্বর ব্যবহার করুন — অথবা আমাদেরটি নিন।
দাম দেখুন →